বিশেষ প্রতিনিধি: বন্দর কদম রসূল কলেজে একাদশ শ্রেণীর ২য় বর্ষের ফরম ফিলাম নিয়ে আন্দোলনে নেমেছে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দুপুরে একাদশ শ্রেণীর অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা ২য় বর্ষের ফরম ফিলাম নিয়ে কলেজ গেটে বিভিন্ন স্লোগান দিলে একটা উত্তপ্তকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এবং তাদের এ আন্দোলনের সাথে যুক্ত হয় তাদের অভিভাবকরাও।
এসময় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, এখানে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। যাদের ক্ষমতা আছে তাদের বেলায় এক রকম আর যাদের ক্ষমতা নেই তাদের দেখা হচ্ছে ভিন্নচোঁখে। আমরা যখন প্রিন্সিপাল স্যারের কাছে গিয়েছিলাম আমাদের চোঁখের সামনে ৫ থেকে ৬ সাবজেক্টে ফেল করেছে এমনকি অল সাবজেক্টে ফেল করেছে তাদেরকেও ক্ষমতার বলে ২য় বর্ষে ভর্তি নিচ্ছে। এর পর্যাপ্ত প্রমাণ আমাদের কাছে আছে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, কলেজে নতুন একটা সিস্টেম চালু করেছে। আর সেটা হচ্ছে লটারী সিস্টেম। এ সিস্টেমে মানুষে মেধা যাচাই করা হচ্ছে লটারীর মাধ্যমে। এটা আমরা কখনোই মানবো না।
তারা আরও বলেন, আমাদেরকে থ্রেড প্রদান করা হয়েছে ‘যদি তোমাদের ক্ষমতা থাকে তাহলে তোমরা ফরম ফিলাপ করে নাও।’ এ বৈষম্য আমরা মানবো না। আমাদের একটাই দাবি, যে ৫ ছয়জন শিক্ষার্থীকে ফেল করার পরও নেয়া হয়েছে বাকী শিক্ষার্থীদের নেয়া হয় নাই। যদি না নেয়া হয়, তাহলে কাউকেই নেয়া যাবে না। এক প্রতিষ্ঠানে দুই নিয়ম চলবে না। প্রয়োজন আমরা রাস্তা অবরোধ করবো কিন্তু এ অন্যায় আমরা মানবো না।
এ বিষয়ে কলেজ প্রিন্সিপাল প্রফেসর রওশন আখতার বলেন, এটা কি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নাকি কোন কুচক্রি মহলের ইন্দনে এটা হচ্ছে, এটা আমার জানানেই। তবে প্রশ্ন যখন উঠেছে, তাই বলছি। আসলে দুই বছরের জন্য আমরা তাদেরকে ভর্তি নেই। দুই বছরে মূলত আমরা চারটা পরীক্ষা নেই। আমরা প্রতি পরীক্ষায় তাদেরকে সর্তক করি, সচেতন করি এবং তাদের অভিভাবকদেরকে ফোন দেই যে, সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের নির্দেশনা আছে যে ৭৫ পারসন উপস্থিতি এবং নির্বাচনী পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হতে হবে। বড়জোর তারা দুইটা সাবজেক্টে অনুর্ত্তীণ হলে তাদেরকে দেয়া যায়। তাদেরকে আমরা নাসিং করে এবং বিশেষ কোচিংয়ের মাধ্যমে তাদেরকে আমরা তৈরি করতে পারি। সুতরাং আমরাতো আর সরকারের নির্দেশনাকে অমান্য করতে পারি না। তাই যারা দুইয়ের অধীক সাবজেক্টে অনুর্ত্তীণ হয়েছে, তাদেরকে আমরা ফরম পূরণ করার সুযোগ দিতে পারছি না।