নিজস্ব প্রতিবেদক, বন্দর: নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মাহমুদনগর এলাকায় মাদকের আস্তানায় ঝটিকা অভিযান চালিয়ে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী সুফিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অপরাধীকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদ- এবং নগদ অর্থদ- প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (১০ জুন) বিকেলে পরিচালিত এই সফল অভিযানের পর স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বন্দর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মনির হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাহমুদনগর এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে চিহ্নিত মাদক কারবারি সুফিকে ৫ পিছ ইয়াবা সহ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারের পরপরই বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিবানী সরকার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এসময় গ্রেফতারকৃত সুফি নিজের অপরাধ স্বীকার করলে বিজ্ঞ বিচারক তাকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদ- এবং নির্দিষ্ট অংকের অর্থদ- প্রদানের রায় ঘোষণা করেন। রায়ের পর সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে পুলিশি পাহারায় জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের কারবার চালিয়ে আসছিল সুফি, যা নিয়ে অতিষ্ঠ ছিল এলাকাবাসী। অবশেষে সে সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় মাহমুদনগরবাসীর মধ্যে আনন্দ ও স্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এসআই মনির হোসেন ও ইউএনও শিবানী সরকারের এই সাহসী ও ত্বরিত পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে প্রশাসন জানিয়েছে, বন্দর উপজেলাকে মাদকমুক্ত করতে এ ধরণের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকব
নিজস্ব প্রতিবেদক, বন্দর: নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ওষুধ ও কসমেটিকস আইন লঙ্গণের দায়ে ছয়টি ফার্মেসিকে মোট ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (১০ জুন) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উপজেলা প্রশাসন এবং ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
বন্দর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রহিমা আক্তার ইতি ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন।
অভিযানে বিভিন্ন ফার্মেসিতে ঔষধ সংরক্ষণ, বিক্রয় ও ব্যবস্থাপনায় সরকারি বিধিমালা লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া যায়। ওষুধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩-এর ৪০(খ), ৪০(গ) ও ৪০(ঘ) ধারা অমান্য করায় সংশ্লিষ্ট ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে নগদ ১৮ হাজার টাকা অর্থদ- প্রদান করা হয়।
অভিযানে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় নারায়ণগঞ্জের কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বন্দর থানা পুলিশ প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রহিমা আক্তার ইতি জানান, মানুষের জীবনরক্ষাকারী ঔষধের মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। ফার্মেসিগুলোতে যেকোনো ধরণের অনিয়ম বা মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে।
ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জনস্বার্থে ভেজাল ও অননুমোদিত ঔষধের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এই ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখা হবে।
নারায়ণগঞ্জ আপডেট