নারায়ণগঞ্জ আপডেট: নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মডেল গ্রুপের চেয়ারম্যান মাসুদুজ্জামান মাসুদ নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়ানোর পর ফের আলোচনার খাতায় উঠে এসেছে মহানগর বিএনপির ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের নাম। দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর বিএনপির চরম দুর্দিনে শক্ত হাতে দলের হাল ধরা সেইসব নেতারা অনেকটা আলোচনার বাইরে চলে গেলেও আবারও তাদের নাম নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মুখে মুখে ভেসে বেড়াচ্ছে।
জানাগেছে, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন, মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সাংসদ অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, মডেল গ্রুপের চেয়ারম্যান মাসুদুজ্জামান মাসুদ, নর্থামব্রিয়া বিশ^বিদ্যালয়ের বিভাগীয় প্রধান আলিয়ার হোসেন ও প্রাইম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবু জাফর আহমেদ বাবুল।
এদের মধ্যে দলের সবচেয়ে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের তালিকায় ছিলেন, মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সাংসদ অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের নাম।
তবে এদের সবাইকেই এক প্রকার টেক্কা দিয়ে মনোনয়ন ভাগিয়ে নেন মডেল গ্রুপের চেয়ারম্যান মাসুদুজ্জামান। তাকে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর খোরশেদ ছাড়া সকল মনোনয়ন প্রত্যাশীরাই তার চরম বিরোধীতা করেছিলেন। অবশ্য এর আগে বিশেষ করে ৫ আগস্টের পর থেকে মাসুদুজ্জামানকে নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা করতে দেখা গেছে অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, সাখাওয়াত হোসেন খান ও আবু আল ইউসুফ খান টিপুদের।
তারা তখন বলেছিলেন, মাসুুদুজ্জামান বিএনপির কেউ না। তিনি আওয়ামী লীগের দোসর, তিনি ওসমানদের দোসর।
ওসমানদের নির্দেশেই মাসুদ মাঠে নেমেছে। দলীয় মনোনয়ন দিলে ত্যাগী নেতাদের মধ্য থেকে দিতে হবে। কারণ, তারা দীর্ঘ ষোলটি বছর ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে থেকে নানা হামলা মামলার শিকার হয়েছেন। দলের জন্য তারা বহু ত্যাগ শিকার করেছেন। তাই ত্যাগীরাই মনোনয়ন পাওয়া যোগ্য।
এদিকে মাসুদুজ্জামানকে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পরও তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ ঝাড়তে দেখা যায় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের। মনোনয়ন প্রত্যাশীরা সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করে তারা বলেন, বিএনপি যাকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে সেই মাসুদ মূলত বিএনপির লোক না, তিনি আন্দোলনে ছিলেন না, আওয়ামী লীগের দোসর ছিলেন। তাকে মনোনয়ন দিলে বিএনপি এ আসন হারাবে, দল ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই তারা বিএনপির প্রার্থী পরিবর্তনের দাবী তুলেছেন। শুধু তাই নয়, মাসুদুজ্জামানের মনোনয়ন বাতিলের জন্য কেন্দ্রকে চিঠিও পাঠান তারা।
তবে হঠাৎ করেই মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু ফিরে যান মাসুদ বলয়ে। তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ঐক্যভেঙ্গে মাসুদুজ্জামানের পক্ষে পুরোদমে মাঠে নেমে পড়েন। তার পক্ষে নির্বাচনী জনসভা থেকে শুরু করে বিভিন্নভাবে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেন। কিন্তু বেশিদূর এগুতে পারেন নি তিনি। মাত্র মাস খানেকের মাঠাই শোনা গেলো মাসুদুজ্জামানের নির্বাচন থেকে সড়ে যাওয়ার খবর।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মডেল গ্রুপের চেয়ারম্যান মাসুদুজ্জামান মাসুদ নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়ানোর পর ফের আলোচনার খাতায় উঠে এসেছে মহানগর বিএনপির ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের নাম
নারায়ণগঞ্জ আপডেট